শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

কালকিনিতে ফেষ্টুন ছেড়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, কাউন্সিলরসহ আহত-৭

কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি :- / ১৩২ /২০২১
প্রকাশকালঃ রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১

কালকিনিতে ফেষ্টুন ছেড়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, কাউন্সিলরসহ আহত-৭

কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি :-

মাদারীপুরের কালকিনিতে ফেষ্টুন ছেড়াকে কেন্দ্র করে বর্তমান ও সাবেক কাউন্সিলরের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলরসহ ৭জন আহত হয়েছে। আজ রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে এবং আহতদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্নস্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

এলাকা ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, কালকিনি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ আনোয়ার হোসেন বেপারীর উদ্যোগে গত ১৮ জুলাই কোরবানির ঈদ উপলক্ষে স্থানীয় এমপি ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা দিয়ে তার ওয়ার্ডের বিভিন্নস্থানে ফেষ্টুন টানানো হয়। ওই সকল ফেষ্টুন ঈদের রাতেই দুর্বৃত্তরা ছিড়ে ফেলেন। কিন্তু তখন কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারীর সমর্থক হৃদয় সরদার এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় একেই এলাকার সাবেক কাউন্সিলর তোফাজ্জেল হোসেন দাদনের সমর্থক রুবেল সরদারের মধ্যে প্রথমে বাকবিতন্ডা হয়। পরে রুবেল সরদারের নেতৃত্বে মাসুম সরদার, আবদুল সরদার ও বারেক সরদারসহ বেশ কয়েকজন মিলে হৃদয় সরদারের উপর হামলা চালায়। এক পর্যায় উভয় পক্ষই সংঘর্ষে জরিয়ে পরে। এ সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারী(৫০) গুরুতর আহত হন। এছাড়া বিল্লব বেপারী(২১), জাহাঙ্গির বেপারী(৫০) ও সাইফুল বেপারীসহ(২০) কমপক্ষে ৭জন আহত হন। আহতদেরকে কালকিনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে খবর পেয়ে কালকিনি থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।
আহত কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারী বলেন, আমি মারামারি থামাতে গেলে আমাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। হামলাকারী রুবেল সরদারসহ সকল মিলে ফেষ্টুন রাতের আধারে ছিড়ে ফেলেছে। তারা সকলে বিএনপি ও সাবেক কাউন্সিলর দাদনের সমর্থক। ৩-৪টি বসতবাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে তারা। এ বিষয় থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছি। আমি এ ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার চাই।

প্রতিপক্ষ সাবেক কাউন্সিলর তোফাজ্জেল হোসেন দাদন বলেন, যারা বর্তমান কাউন্সিলরের লোকজনের সাথে মারামারি করেছে তারা কেউ আমার লোক নয়। বিষয়টি একান্তই তাদের বিষয়। পুর্ব থেকেই তাদের মধ্যে শত্রুতা চল আসছে।
এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি ইসতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories