সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলার পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। • বাংলাদেশ প্রতিবেদন-এর পাঠক, দর্শক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভাকাঙ্খীদের জানাই ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ‘ঈদ মোবরক’।

লকডাউনে শিল্প-কারখানা চালু রাখার দাবি জানিয়েছে এফবিসিসিআই

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৩ /২০২১
প্রকাশকালঃ রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১

লকডাউনে শিল্প-কারখানা চালু রাখার দাবি জানিয়েছে এফবিসিসিআই

উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল রাখতে ঈদ পরবর্তী কঠোর লকডাউনের মধ্যে শিল্প-কারখানাকে বিধি-নিষেধের বাইরে রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)।

রোববার এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মো: জসিম উদ্দিন বলেন,কোভিডজনিত বিধি-নিষেধের আওতায় সকল প্রকার শিল্প-কারখানা বন্ধ রাখা হলে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের প্রাণশক্তি উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে এবং সাপ্লাই চেইন সম্পূর্ণভাবে বিঘিœত হবে। এতে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সকলে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বিশেষ করে, খাদ্য-সামগ্রী, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, বোতলজাত পানীয়, নিত্য-প্রয়োজনীয় পণ্য ইত্যাদি উৎপাদন বন্ধ থাকলে ভোক্তা সাধারণ সমস্যার সম্মুখীন হবেন। পণ্য-সামগ্রী সঠিকভাবে সরবরাহ ও বাজারজাত না হলে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। এতে স্বল্প আয়ের ক্রেতারা ভোগান্তির শিকার হবেন।

তিনি দাবি করেন, রপ্তানি খাতের উৎপাদন ব্যবস্থা বন্ধ থাকলে সময়মত পরবর্তী রপ্তানি অর্ডার অনুযায়ী সাপ্লাই দেয়া সম্ভব হবে না। এতে রপ্তানি অর্ডার বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঈদের ছুটিসহ প্রায় ১৮ থেকে ২০ দিন কারখানা বন্ধ থাকলে এক অনিশ্চয়তার মাঝে লেইট সামার, ক্রিসমাস ও বড়দিন এবং আগামী শীতের কার্যাদেশসমূহ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এক মাসের রপ্তানি শিডিউল বিঘিœত হলে পরবর্তি ছয় মাসের রপ্তানি শিডিউলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সেসাথে উৎপাদন বন্ধ থাকলে আমদানিকৃত কাঁচামাল অব্যবহৃত হয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, এর ফলে আমদানিকারক ও উৎপাদক উভয়ই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।

এদিকে, ক্ষুদ্র ও ছোট কারখানাসমূহ বন্ধ রাখা হলে উদ্যোক্তাগণ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন এবং কারখানাসমূহ পুনরায় চালু রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে। এ অবস্থায় বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, প্লাস্টিক গুড্স ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টারর্স এসোসিয়েশন,বাংলাদেশ টেরি-টাওয়েল ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশনসহ রপ্তানি ও উৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট এসোসিয়েশন, চেম্বারসমূহ শিল্প-কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখার বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য এফবিসিসিআইয়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।

কোভিড বিস্তার রোধে জারিকৃত বিধি-নিষেধ সংক্রান্ত সার্কুলারে ঔষধ কারখানার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা নেই। যদি ঔষধ কারাখানা বন্ধ রাখা হয় তবে জীবন রক্ষাকারী ঔষধ সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হবে। অপরদিকে ট্যানারি কারখানা বন্ধ রাখা হলে কোরবানি ঈদে সংগৃহীত চামড়া সংরক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হবে।

বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে জীবন রক্ষাকে অবশ্যই অগ্রাধিকার দিতে হবে। কিন্তু উৎপাদন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হলে খাদ্য-পণ্য সহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য থেকে সকলেই বঞ্চিত হবেন।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় বিদ্যমান অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রয়েছে এবং জাতীয় প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ১ শতাংশ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। যদি উৎপাদন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয় তাহলে অর্থনীতির চলমান গতিধারা ব্যাহত হবে। জীবন ও জীবিকার মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উৎপাদন ব্যবস্থাকে চলমান রাখা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories