বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন

পর্যটকদের হাতছানি দিচ্ছে ‘রুপসী’ ঝর্ণা

/ ১৭৪ /২০২১
প্রকাশকালঃ শনিবার, ৫ জুন, ২০২১

পর্যটকদের হাতছানি দিচ্ছে ‘রুপসী’ ঝর্ণা

জুয়েল নাগ
বর্ষার মৌসুম শুরু, ভরা বর্ষায় রুপসী ঝর্ণা হয়ে যায় আরো রুপবতী,মুগ্ধতা ছড়ায় পর্যটকদের।তার রুপ দেখে সবাই বিমোহিত। চারপাশে সবুজাভ তার মাঝে শ্বেতশিনী রুপসী কে কেউ সহজে ছেড়েযেতে চাইবে না। তার পরতে পরতে আছে মুগ্ধতা। এই মৌসুমে ও এক পলক দেখার জন্য আহ্বান করছে। নাম তার রুপসী ঝর্ণা, এটি বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত।

চট্টগ্রামের মিরসরাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দরুন ভ্রমণ প্রিয় মানুষের নিকট অনেক আগে থেকেই জনপ্রিয়। এই সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যােগ করেছে বিস্ময়কর রূপসী ঝর্ণা।রূপসী ঝর্ণা তার রূপ দিয়ে মানুষের মন কেড়ে নিয়েছে। রূপসী ঝর্ণার অনিন্দ সুন্দর রূপের কারণের স্থানীয়রা একে রূপসী ঝর্না নাম দিয়েছে। এই ঝর্নাটি মিরসরাই উপজেলার ১৫ ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের বড় দারোগার হাট এলাকার নিকটেই অবস্থিত। পুরো পাহাড়ি এলাকাটা বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান ঘোষিত সরকারি বনভূমি।

যেভাবে যাবেন রূপসীতেঃ
বাসযোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের বড়দারোগাহাট বাজারে নামতে হবে প্রথমে। মিরসরাইয়ের বড় দারোগারহাট বাজারের সামান্য উত্তরে ব্রিকফিল্ড সড়ক ধরে পূর্ব দিকে আধা কিলোমিটার পথ পাড়ি দিলেই রেললাইন। রেললাইন পেরুলেই পথ, দু’পাশে সবুজ ফসলের মাঠ পেরিয়ে সামনে গেলে পাহাড়ের বিশালতা। সেই পথ ধরে একটু এগিয়ে গেলে পাহাড়ের পাদদেশ। বাঁ দিকে ৫০ গজ হাঁটলেই বিশাল ছড়া। যেটি রূপসীর প্রবেশপথ। তা ধরে মাইল খানেক হাঁটার পর রূপসীর প্রথম ধাপটা বড় একটি ঝর্ণার মতো। অনেকটা খাড়া তবে ঢালু। বর্ষায় পুরো ঝরনা বেয়ে পানি পড়ে।

অনেকেই মনে করে রূপসী শুধু এটাই। কিন্তু এটি রূপসীর বাইরের রূপ। এরপর আরো হাঁটলে পাওয়া যাবে রুপসীর আরো দু’টো ধাপ।

রুপসীর রুপ দেখতে যাওয়ার পথ টা আরো আকর্ষণীয়, ছোট বড় নুড়ি পাথরে ছড়ায় স্বচ্ছ পানির মধ্যে হাটার শীতলতা উপভোগ্য। স্বচ্ছ পানিতে হরেক রকম ছোট মাছ,কাকঁড়া আর জলজ প্রানী। পাহাড়ে বিভিন্ন পাখির কলকাকলি, মাঝে মাঝে বানরের ঝাক চোখে পড়ে।

শিহরণ যোগায় সংকুচিত পাহাড়ের কিছুটা অন্ধকারছন্ন জায়গায়। একটু ভয় ভয় লাগাটা স্বাভাবিক মিনিট ৩০ হাটার পর নতুনদের মনে হতে পারে এমন কি আছে? হাটার পর যখন চোখের সামনে বিশাল একবু পানি নিয়ে স্বাগত জানাচ্ছে রুপসী তখন ক্লান্তি প্রশান্তিতে রুপ নিবে। তখন মনে হবে এটাইতো আমি চেয়েছি। কুর্নিশ করতেই হবে তাকে।

থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা চট্টগ্রাম শহর কাছে হওয়াতে এমনিতে রাতে কেউ থাকে না। অনেকে তাবু পাতায় ঝর্ণার কাছে। বড়দারোগাহাটে থাকার হোটেল না থাকলে কাছাকাছি সীতাকুণ্ড বাজারে হোটেলের ব্যবস্থা আছে অনেক। বড়দারোগা হাটে কিছু খাওয়া রেস্তোরা আছে, তার মধ্যে ৫ তারকা রেস্তোরা গুনগত মান ভালো। এছাড়া আরো কিছু চায়ের দোকান আছে। তাহলে যে কেউ স্বল্প খরচে ঘুরে আসতে পারেন রুপসী ঝর্ণায়।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৮৬১,১৫০
সুস্থ
৭৮৮,৩৮৫
মৃত্যু
১৩,৭০২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৪,৮৪৬
সুস্থ
২,৯০৩
মৃত্যু
৭৬
স্পন্সর: একতা হোস্ট

Categories