বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৪১ অপরাহ্ন

শ্রমিকদের মাসিক অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব মির্জা ফখরুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২১ /২০২১
প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১

শ্রমিকদের মাসিক অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব মির্জা ফখরুলের

লকডাউনে শ্রমিকদের জন্য মাসিক সরকারি অনুদানের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

৬ এপ্রিল দুপুরে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রয়াত সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জাফরুল হাসানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি জানান।

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইনের সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালনা করেন প্রচার সম্পাদক মঞ্জরুল ইসলাম মঞ্জু।

সভায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সারোয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, জাতীয় শ্রমিক জোটের সাধারণ সম্পাদক নাইমুল হাসান জুয়েল, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক স্কপ নেতা ওয়াজেদ-উল ইসলাম খান, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খান নাসিম, কেন্দ্রীয় নেতা এএম নাজিম উদ্দিন, সালাহউদ্দিন সরকার, মিয়া মো. মিজানুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, আবুল খায়ের খাজা. এমজি ফারুক, আসাদুজ্জামান বাবুল, প্রয়াত নেতার মেয়ে নাসরিন হাসান টিমা প্রমুখ।

তিনি বলেন, এই কোভিড-১৯ সময়ে অবশ্যই শ্রমিকদের সরকারের তরফ থেকে ত্রাণ সহযোগিতা করতে হবে। এই মুহূর্তে এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় দাবি। আমরা এই দাবিটা আজকে করছি যে, দেশে ইনফরমাল সেক্টরে যত শ্রমিক আছেন, আমাদের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলোতে যত শ্রমিক আছেন, অন্যান্য কলকারখানার সঙ্গে যেসব শ্রমিক যুক্ত আছেন তাদের প্রত্যেককে মাসে একটা অনুদান দিতে হবে যেটা অন্যান্যদের দেওয়া হয়েছে।

দলের অবস্থা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে আমাদের দলের অনেক কষ্ট, অনেক দুঃসময়। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি। আমাদের যিনি নেতৃত্ব দেন, যার কথায় আমরা অনুপ্র্রাণিত হই, আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি সেই দেশনেত্রী খালেদা জিয়া তিন বছর ধরে কারাগারে। এটা ভাবা যায় না, কল্পনা করা যায় না। আজকে যিনি আমাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব তিনি ৮ হাজার মাইল দূরে নির্বাসিত অবস্থায় আছেন।

তিনি বলেন, আমাদের ৩৫ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা। নতুন করে আবার এই কয়েকদিনে ২০ হাজার মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। করোনায় আমাদের খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সেলিমা আপা (সেলিমা রহমান), রুহুল কবির রিজভী থেকে শুরু করে অনেকে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে। মওদুদ ভাই (মওদুদ আহমদ) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। রুহুল আলম চৌধুরী চলে গেছেন, ইয়াং একজন নেতা খন্দকার আহাদসহ অনেকে চলে গেছেন। এই অবস্থা আমাদের কাটিয়ে উঠতে হবে, আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

জাফরুল হাসানের কর্মময় জীবনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আজকে দেখুন, গ্রোথ হচ্ছে মালিকদের। তারা গাড়ি কিনছেন, বাড়ি কিনছেন, বিদেশে প্রপার্টি তৈরি করছেন। আর আমার শ্রমিক ভাইয়েরা, বোনেরা বস্তিতে একটা ঝুপড়ির মধ্যে বাস করছে, দু’বেলা ঠিকমতো খেতেও পায় না। দিস ইজ দ্য রিয়েলিটি। কেউ কথাও বলছি না এই বিষয়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৭৩৬,০৭৪
সুস্থ
৬৪২,৪৪৯
মৃত্যু
১০,৭৮১
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৪,০১৪
সুস্থ
৭,২৬৬
মৃত্যু
৯৮
স্পন্সর: একতা হোস্ট

Categories