বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৪২ অপরাহ্ন

পলাশবাড়ী শিক্ষা কর্মকর্তার অনিয়মের তদন্ত শুরু

গাইবান্ধা প্রতিনিধি / ৮১ /২০২১
প্রকাশকালঃ শুক্রবার, ২ এপ্রিল, ২০২১

পলাশবাড়ী শিক্ষা কর্মকর্তার অনিয়মের তদন্ত শুরু

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২১৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন ক্রয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মানা হয়নি বলে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একেএম মোকছেদ চৌধরীর অভিযোগ। মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন।

সূত্রে জানা যায়, স্লিপ ফান্ডের অর্থ দিয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি দামে হাজিরা মেশিন ক্রয় করায়
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অমান্য করায় গত ৮ অক্টোবর/২০ ইং উপজেলা পরিষদের সমন্বয় কমিটির মিটিংয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম আঃ ছালাম ও সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা আত্নসাতের অভিযোগ এনে রেজুলেশন করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন ক্রয়ের পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে ‘স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাজার থেকে যাচাই করে সাশ্রয়ী মূল্যে নিজেদের পছন্দমতো ডিজিটাল হাজিরা মেশিন ক্রয় করে স্কুলে স্থাপন করবে।

‘কিন্তু পলাশবাড়ী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম আঃ ছালাম সেই নির্দেশ অমান্য করে পলাশবাড়ী উপজেলার ২১৭টি বিদ্যালয়ে তার পছন্দ মাফিক একটিভ পাওয়ার ৫৫ লিমিটেড নামের একটি নাম সর্বস্ব কোম্পানি থেকে মেশিন ক্রয়ে প্রধান শিক্ষকদের বাধ্য করা হয়েছে।

কোম্পানিটি ZK Teco iclock 9000-G মডেলের হাজিরা মেশিনটির রশিদ মুলে দাম নিয়েছে ২২ হাজার টাকা। অনলাইনে বিক্রয়কারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে খোজ নিয়ে জানা গেছে মেশিন গুলোর বাজার দর ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে এসব মেশিনের বাজার দর জানা নেই শিক্ষকদের। তারা বাধ্য হয়েই ওই প্রতিষ্ঠান থেকে হাজিরা মেশিন কিনেছেন বলে জানান,একাধিক প্রধান শিক্ষক। শিক্ষক্রা আরো জানান, সেপ্টেম্বর-২০২০ ইং মেশিনটি ক্রয় করা হলেও করোনায় বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় এ পর্যন্ত মেশিনটি স্থাপন করাই যায়নি।

এসব ব্যাপারে জানতে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের রশিদে থাকা মোবাইল নম্বরে ফোন দেয়া হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শিক্ষা মন্ত্রনালয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক
(অর্থ ও রাজস্ব) নুরুল ইসলামকে তদন্তকারি কর্মকর্তা ও প্রকিউটরমেন্ট মো.শাহিন মিয়াকে সদস্য নিয়োগ করে আগামী ৭ এপ্রিল-২০২১ইং গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তার উপর মহলে আশির্বাদ থাকায় বাদীর সাথে রফাদফার মাধ্যমে তদন্ত কার্যক্রম ধামা-চাপা দেয়ার জোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৭৩৬,০৭৪
সুস্থ
৬৪২,৪৪৯
মৃত্যু
১০,৭৮১
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৪,০১৪
সুস্থ
৭,২৬৬
মৃত্যু
৯৮
স্পন্সর: একতা হোস্ট

Categories