শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
জরুরী ঘোষণাঃ
দেশের কয়েকটি জেলা, উপজেলা, থানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হটলাইন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। যোগাযোগঃ +৮৮ ০১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ হোয়াটসআপ। আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যে কোনো ব্যতিক্রম খবর পাঠিয়ে দিতে পারেন। ছবি ও ভিডিও থাকলে আরো ভাল। পাঠিয়ে দিন আমাদের এই ঠিকানায়: protibedonbd@gmail.com • আপনি কি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতায় পড়শুনা করছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে ‘ইন্টার্নশিপ’ এর সুযোগ। আজই যোগাযোগ করুন। করোনা থেকে বাঁচতে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

নাগরপুরে মাংসে রং মিশিয়ে বিক্রি করার দায়ে ১০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

মো. জসিউর রহমান (লুকন) / ১৯০৭ /২০২১
প্রকাশকালঃ শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০

নাগরপুরে মাংসে রং মিশিয়ে বিক্রি করার দায়ে ১০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরের সহবতপুর ইউনিয়নের খোরশেদ মার্কেট হাটে, মাংসে রং মিশেয়ে বিক্রি করার অপরাধে, লাল চাঁন নামের এক ব্যক্তিকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

২০ নভেম্বর শুক্রবার দুপুরে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের খোরশেদ মার্কেট হাটে প্রকাশ্যে লাল চাঁন নামের ওই ব্যক্তি মাংসে বিষাক্ত রং মিশিয়ে বিক্রি করার সময় জনতা বিষয়টি টের পেয়ে, নাগরপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওসি তদন্ত মো. বাহালুল খান বাহারকে বিষয়টি অবগত করলে, প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনার সত্যতা পআন। প্রে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত লাল চাঁন মিয়াকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত টাঙ্গাইলের কাগমারীর বাসিন্দা মো. নিজাম মিয়ার ছেলে মো. লাল চাঁন মিয়ার সাথে কথা বলে জানা যায়, সে গত প্রায় ১০ বছর যাবৎ মাংস ব্যবসার সাথে জড়িত। সে টাঙ্গাইলের পার্কের বাজারের খোকন মিয়ার মাংসের দোকানে কাজ করে। সে দাবি করে, পার্কের বাজারের মাংস বিক্রেতা খোকনের কাছ থেকে পাইকারি দরে ঐ গরুর মাংস কিনে নাগরপুরে বিক্রির উদ্দেশ্য এনেছিলো। প্রতি কেজি ১২০ টাকা দরে মেশানো গরুর মাংস (ছাট মাংস) বিক্রি করছিলো সে। এ সময় সে দাপটের সাথে নিজেকে টাঙ্গাইলের বাজার বণিক সমিতির সভাপতি সাজু মিয়া পরিচিত এবং টাঙ্গাইলের সাংবাদিক শিপন-এর ভাই পরিচয় দিয়ে নাগরপুরের সাংবাদ কর্মীদের ওনাদের সাথে কথা বলতে বলেন।

এ ছাড়াও মাংসে রং মেশানোর বিষয়টি সে অস্বীকার করে।

খোরশেদ মার্কেটে আগত শত শত জনসাধারণ সকলেই এক বাক্যে বলেন, এই লোক মাংসে রং মিশিয়ে বিক্রি করতে এনেছে। কোথা থেকে কিসের মাংসে, বিষাক্ত রং মিশিয়ে আমাদের খাওয়াতে এনেছে তা জানা যায়নি। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিফাত-ই-জাহান, পুলিশ অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান জনতা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নাগরপুর থানার এসআই মো. শাহ আলম, মো. সাইদুর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপ সহকারী মো. লিয়াকত হোসেন, নাগরপুর সিএনজি শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ঠান্ডু মিয়া, সাংবাদিকবৃন্দ ও হাটে আগত জনসাধারণ।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত-ই-জাহান বলেন, মাংসে রং মেশানোর দায়ে ভোক্তা অধিকার আইনের ২০০৯ এর ৪২ ধারায় মো. লাল চাঁন মিয়াকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ সময় তিনি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্য বলেন, ভোক্তাদের অধিকারের সুরক্ষায় আমাদের এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভেজাল বিরোধী অভিযান অব্যহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

Categories