মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ সক্ষমতায় পিছিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ সক্ষমতায় পিছিয়ে

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর শুধু ঢাকাতেই প্রতিদিন গড়ে ২০৬ টনের বেশি করোনা বর্জ্য উৎপাদিত হচ্ছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বিশেষভাবে ব্যবহৃত সামগ্রী ধ্বংস না করায় এগুলো নতুনভাবে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করছে।

মঙ্গলবার (১০নভেম্বর) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রকাশিত ‘করোনাভাইরাস সংকট মোকাবেলায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ: দ্বিতীয় পর্ব’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অনিয়ম-দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তদের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের রাজনৈতিক বিবেচনায় আড়াল করা হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে লোক দেখানো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রবণতা দেখা গেছে। এছাড়া, তথ্য প্রকাশে বিধিনিষেধ আরোপের মাধ্যমেও অনিয়ম-দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনাকে আড়াল করার প্রবণতা দেখা গেছে।

গবেষণায় বলা হয়, বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে মানহীন সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয় করে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝুঁকি বিবেচনায় চতুর্থ ধাপের পিপিই ক্রয়ের কথা থাকলেও প্রকল্প পরিচালকের একক সিদ্ধান্তে চিকিৎসকদের জন্য প্রথম ধাপের এক লাখের বেশি পিপিই ক্রয় করা হয়। এসব সুরক্ষা সামগ্রীর মান নিশ্চিত নয় বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের গুদামে মাল উঠাতে দেয়নি। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের পরিচালক ৬৩ জেলায় ১ হাজারটি করে এই পিপিই পাঠিয়ে দিয়েছেন।

গবেষণায় আরও বলা হয়, সরকারের সংকোচনমূলক নীতি প্রয়োগের (সেবা ও নমুনা পরীক্ষা হ্রাস) মাধ্যমে শনাক্তের সংখ্যা হ্রাস হওয়াকে ‘করোনা নিয়ন্ত্রণ’ হিসেবে দাবি এবং রাজনৈতিক অর্জন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। করোনাভাইরাস মোকাবিলার প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিশেষজ্ঞ মতামত উপেক্ষা করে এখনো আমলানির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা বিদ্যমান। শীত মৌসুমে করোনার সম্ভাব্য দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় কার্যকর প্রস্তুতির অভাব। শহরকেন্দ্রিক ও বেসরকারি পর্যায়ের বাণিজ্যিক সেবা সম্প্রসারণ, পরীক্ষায় ফি নির্ধারণ দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে এই সেবা থেকে বঞ্চিত করছে এবং হয়রানি ও অনিয়ম-দুর্নীতির শিকার হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। নমুনা পরীক্ষা, চিকিৎসা এবং করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় গৃহীত প্রণোদনা কর্মসূচির ক্ষেত্রেও সমাজের সুবিধাপ্রাপ্ত অংশের অনুকূলে পক্ষপাত করা হচ্ছে এবং চিকিৎসা সেবা ও প্রণোদনার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে এখনও পৌঁছেনি।

গবেষণার সারসংক্ষেপে বলা হয়, ইতোপূর্বে টিআইবি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রাক-সংক্রমণ প্রস্তুতিমূলক পর্যায়ে ও সংক্রমণ শুরুর প্রথম তিন মাসে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করার উদ্দেশ্য নিয়ে একটি গবেষণা কার্যক্রম চালায়। চলতি বছরের ১৫ জুন প্রকাশিত গবেষণায় সংক্রমণের প্রথম তিন মাসের মধ্যে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রমে সুশাসনের প্রতিটি নির্দেশকের ক্ষেত্রে ব্যাপক ঘাটতি দেখা গেছে। এর ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারি কার্যক্রমে কী ধরনের অগ্রগতি হয়েছে এবং কী ধরনের নতুন কার্যক্রম নেয়া হয়েছে তা সুশাসনের আলোকে পর্যবেক্ষণ করার উদ্দেশ্যে টিআইবি এই দ্বিতীয় দফা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ