মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

স্টক এক্সচেঞ্জকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে

প্রধান অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশকালঃ শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০
Salman f rahman
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন সালমান এফ রহমান

স্টক এক্সচেঞ্জকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে

পুঁজিবাজারে বর্তমানে দৈনন্দিন লেনদেনের ৮০-৮৫ শতাংশই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে হয়ে থাকে। তাই বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ আরো বাড়াতে হবে। এজন্য মিউচু্য়াল ফান্ড-বন্ডের যোগান বাড়াতে হবে। এছাড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থার পাশাপাশি বাজারে কারসাজি বন্ধে স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে আরো তৎপর হতে হবে। গ্রিনফিল্ড কোম্পানিসহ পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়ন সহজ করা, তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হার আরো কমাতে হবে।

গতকাল শনিবার পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে ‘টুওয়ার্ডস সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অব ক্যাপিটাল মার্কেট’ শীর্ষক ওয়েবিনারে বক্তারা এসব মন্তব্য করেন।ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন (বিএমবিএ) যৌথভাবে ওয়েবিনারের আয়োজন করে।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেব বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ
সিকিউরিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলীbরুবাইয়াত উল ইসলাম, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড
ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভপতি শেখ ফজলে ফাহিম এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের (ডিসিসিআই) সভাপতি শামস মাহমুদ।মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন
আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএমবিএ সভাপতি মো. ছায়েদুর রহমান ও সিএমজেএফের সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিএমজেএফের সাধারন সম্পাদক মো. মনির হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান বলেন, বর্তমানে পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী কম। এটা বড় দুর্বলতা। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বেশি। পুঁজিবাজারে ৮০-৮৫ শতাংশই এ বিনিয়োগকারীরা লেনদেন করে থাকেন। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অবদান খুবই কম। আর বাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অংশ ৩ শতাংশ বলা হলেও লেনদেনে আরও নেই। আইসিবি ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী নেই বললেই চলে। কিন্তু একটি বাজারতো একমাত্র আইসিবি দিয়ে চলতে পারে না।

সালমান এফ রহমান বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনেই উৎপাদনহীন ও কারখানা বন্ধ থাকা কোম্পানির শেয়ারে কারসাজি হচ্ছে। কিন্তু ডিএসই কিছুই
করছে না।সবাই দেখছে একটি কোম্পানির ১০ বছর ধরে কারখানা ও উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। প্রতিনিয়তই এই রকম কোম্পানির শেয়ার নিয়ে ডিএসইর ব্রোকাররা কারসাজি করছে। ডিএসইর সামনেই বন্ধ থাকা কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়াচ্ছে। তারা তো লুকিয়ে করছে না। তারপর ডিএসই এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।ডিএসইকে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

‘পুঁজিবাজারে যদি কোন দুই নম্বারি হয়ে থাকে, সেটা পুরো পৃথিবীতেই সবার আগে স্টক এক্সচেঞ্জ ধরে। বিএসইসিতো অনেক পরের বিষয়, প্রথমেই ধরবে স্টক
এক্সচেঞ্জ। তাদের ওখানেইতো প্রতিদিন লেনদেন হয়। যেকোন ধরনের অনিয়মের লেনদেন দেখলে বুঝতে পারা যায়। কিন্তু এখনো আমাদের পুঁজিবাজারে যে কোম্পানি বন্ধ এবং সবাই সেটা জানি, তারপরেও সেই কোম্পানির দর বাড়ে। কারা এসব কোম্পানির শেয়ার কিনে এবং কারা বিক্রি করে, তা স্টক এক্সচেঞ্জ জানে। এখানে যে ম্যানিপুলেশন হচ্ছে এবং ওপেনলি হচ্ছে, লুকিয়ে কেউ করছে না। কিন্তু বাজার পড়ে গিয়ে কোন কিছু হলেই রাস্তায় লোকজন নেমে সরকারকে দোষারোপ করে।

সালমান এফ রহমান বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের খুবই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। পুঁজিবাজারের দায়িত্ব শুধু সরকার, অর্থমন্ত্রণালয় ও বিএসইসির, আর স্টক এক্সচেঞ্জ শুধু বসে থাকবেন, তা না। তাদেরকে শক্তিশালী হতে হবে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদেরকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের এই মনস্তাত্তিক অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার আহবান জানিয়েছে তিনি বলেন, আপনি বিনিয়োগ করেছেন, আপনাকেই জেনে-শুনে করতে হবে। লাভ-লোকসান আপনার।

দেশের পুঁজিবাজারকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে বেনিফিশিয়ারি একাউন্ট (বিও) ডিজিটাল হওয়া উচিত উল্লেখ্য করে সালমান এফ রহমান বলেন, এটা ডিজিটাল হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য যেমন সুবিধা হবে তেমনি অনেক বিনিয়োগকারী বাসায় বসেই একাউন্ট খুলে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এখন অনেক ব্যাংক একাউন্টও বাসায় বসেই ডিজিটালি করা যাচ্ছে।

বিএসইসির চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, গত তিন থেকে চার বছরের জমে থাকা আইপিওর আবেদনগুলো প্রায় শেষ। নতুন করে যেসব কোম্পানি
আবেদন করবে তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে তিন মাস নয়, কাগজপত্র ঠিক থাকলে এক মাসের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে। আমরা
আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সময় ক্ষেপণ করবো না।

শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারে ভালো আইপিও আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। আইপিও অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে কোম্পানির বিগত বছরগুলোর ব্যবসা পর্যালোচনা করছি। বিশেষ করে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন কত এবং ৫
বছরের ট্যাক্স রেকর্ড বিশ্লেষণ করছি।

মিউচ্যুয়াল ফান্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে অনেক ফান্ড বিনিয়োগকারীদের কোনো রিটার্ন দিচ্ছে না, এটা ঠিক না। এ সময়ে অনেক মিউচ্যুয়াল ফান্ড লভ্যাংশ দিলেও কিছু ফান্ড দিচ্ছে না। কারো চাপে নয়, বাজারের জন্যই পুঁজিবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রকৃত রুপ দিতে চাই।

পুঁজিবাজারকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) সংস্কার করার কথা জানিয়ে শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, আইসিবিকে ফান্ড দিয়ে আরও শক্তিশালী করতে হবে। বাজারের নেগেটিভ ইক্যুইটিগুলো দূর করতে বিশেষ ফান্ড আসছে। সুদ কমিয়ে আনা হবে। বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করা হবে। এক্ষেত্রে বাইব্যাক পলিসির কাজ করা হচ্ছে। বাইব্যাকের জন্য কোম্পানি আইনে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। বাজার গ্রিন ফিল্ড কোম্পানি আনা হবে। এ ক্ষেত্রে ই-কমার্স কোম্পানিগুলোকে অনুমতি দেওয়া হবে। অর্থাৎ একটি গতিশীল পুঁজিবাজার গড়ে তোলা হবে।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারে তথ্য-প্রযুক্তির সবোর্চ্চ ব্যবহার করতে বিদেশ থেকে একটি টিম আসছে। চলতি সপ্তাহে ডিএসই পরিদর্শন করবে।পুঁজিবাজারকে সত্যিকার অর্থেই ডিজিটাল করা হবে। এছাড়া সিডিবিএলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ন্যাশনাল আইডির মাধ্যমে কিভাবে অনলাইনে বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসার খোলা যায় সে লক্ষে কাজ করা হচ্ছে।

বিশেষ অথিতির বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, দেশের সকল ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সকল প্রতিষ্ঠানকে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় আনতে হবে। এক্ষেত্রে কোন ছাড় নয়। আমরা চাই কর জিডিপি রেশিও বাড়াতে। তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে বিভিন্ন সুবিধা দিতে হবে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজস্ব বোর্ড এবং বিএসইসিকে একযোগে কাজ করতে হবে। এজেন্ট ব্যাংকগুলো গ্রাম থেকে আমানত এনে শহরে বিনিয়োগ করছে। এটি মোটেই ভাল উদ্যােগ নয়। এটি ভারতের ‌’চিড ফান্ড’-এর মতো হয়ে যাচ্ছে। তাই
ভেঞ্চার ফান্ড, ক্রাউড ফান্ডের মতো তহবিলের যোগান দিতে হবে পুঁজিবাজার থেকেই। ভালো কথা হলো বর্তমান কমিশন সেসব বিষয়ে কাজ করছে। এতে সবাই আশান্বিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমি নিজেও বিদেশে ফান্ড ম্যানেজার ছিলাম। কিন্তু সেখানে দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগ হতো। কিন্তু এখানকার পুঁজিবাজারে ডে ট্রেডিংয়ের মত আমাদের বিনিয়োগ, এটাকে দীর্ঘ মেয়াদী হতে হবে। বিভিন্ন গ্রিনফিল্ড কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসা উচিৎ। আমরা ফান্ডের জন্য ব্যাংকে যেতে চাই না। পুঁজিবাজার থেকে ফান্ড উত্তোলন করতে চাই। আমরা উদ্যোক্তারা পুঁজিবাজার থেকে অর্থ নিতে প্রস্তুত।

ডিসিসিআই সভাপতি শামস মাহমুদ বলেন, ডিভিডেন্ড দেয়ার বাধ্যতামূলক করায় অনেক কোম্পানি ঋণ নিয়ে ডিভিডেন্ড দিচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। এটা সাময়িক
ভাল হলেও দীর্ঘমেয়াদে সমস্যা হতে পারে। ক্ষুদ্র মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পকে বাজারে নিয়ে আসতে হবে। কোম্পানির আকার নয়, সম্ভাবনা দেখে এসব কোম্পানিকে আনতে হবে। বর্তমান কমিশন বেশ কিছু উদ্যােগ নিয়েছে এবং
বিনিয়োগকারীরাও এসব উদ্যােগকে ইতিবাচক হিসেবে নিচ্ছে। এটি একটি ভাল দিক।

বিএমবিএর সভাপতি ছায়েদুর রহমান বলেন, পুঁজিবাজারের ভারসাম্য রক্ষায় চাহিদা ও যোগান জরুরি। এক্ষেত্রে পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্ত করতে হবে। ভালো ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাকে পুঁজিবাজারে আনতে কর প্রণোদনার পাশাপাশি পলিসি সাপোর্ট দেওয়া জরুরি।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত-অতালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে কর ব্যবধান বাড়াতে হবে। তাহলে অনেকেই বাজারে আসবে। বিশেষ করে বহুজাতিক
কোম্পানিগুলো দিনের পর দিন ব্যবসা করছে অথচ পুঁজিবাজারে আসছে না। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর করপোরেট কর হার ২০ শতাংশ করার দাবি জানাচ্ছি। এতে অনেক ভালো কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসতে আগ্রহী হবে। আর্থিক প্রতিবেদনে কারসাজি ঠেকাতে কেন্দ্রীয়ভাবে অডিট রিপোর্ট দেখভালের জন্য
আলাদা ডাটা বেইজ করা এবং ১০ শতাংশ অগ্রীম করকে চূড়ান্ত কর হিসেবে গণনা করার দাবি করেন ছায়েদুর রহমান।

মূল প্রবন্ধে মনিরুজ্জামান বলেন, আইপিও দীর্ঘসূত্রিতা কমানো, এবং চাঁদা গ্রহণের পর লেনদেনের দেরী হওয়া, আইসিবির পোর্টফোলিওতে ‘জেড’ এবং ওটিসির
কোম্পানির বিনিয়োগ এবং এজিএম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করার প্রস্তাব দেন। যেটি তিনি একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন।

সিএমজেএফের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিয়াউর রহমান বলেন, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো এজিএমে এক ধরণের অত্যাচারের শিকার হন। একটি চক্র
কোম্পানিকে চাপ দিয়ে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে থাকেন। পাশাপাশি কোম্পানিগুলোর মধ্যে কর ফাঁকির যে প্রবণতা সেটি বন্ধ করতে না পারলে অনেকেই পুঁজিবাজারে আসবে না। কারণ যে পরিমাণ কর বাজারে এলে ছাড় পাওয়া যাবে তার চেয়ে বেশী যদি ফাঁকি দেয়া যায়, তাহলে কর হার কমিয়েও লাভ হবে না।

সিএমজেএফের সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল বলেন, দেশের অর্থনীতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে সেভাবে পুঁজিবাজার এগোয়নি। তাই বাজারে অনেক কিছু করার আছে। যদিও আগের কমিশনের নেতৃত্বের উপর আস্থাহীনতা কম ছিল। বর্তমানে সেই সঙ্কট নেই। তাই সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। যাতে বাজার কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ