মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

পদ্মা সেতুতে দৃশ্যমান হলো ৫২৫০ মিটার

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশকালঃ শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে আরও ১৫ সেতুর টোল মওকুফ

পদ্মা সেতুতে দৃশ্যমান হলো ৫২৫০ মিটার। পদ্মা সেতুর ৩৫তম স্প্যান বসানো হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে ৮ ও ৯ নম্বর পিলারের ওপর স্প্যানটি বসানো হয়। এর ফলে সেতুর ৫ হাজার ২৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে ৩৫তম স্প্যান বসানো হয়। ৩৪তম স্প্যান বসানোর ৬ দিনের ব্যবধানে বসলো ৩৫তম স্প্যান। একইসঙ্গে চলতি মাসেই পদ্মা সেতুতে বসলো ৪টি স্প্যান যা আগে কখনো বসেনি।

সেতুর ৫ হাজার ২৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে
এদিকে, ৩৫তম স্প্যানটি বসানোর ফলে ৪১টি স্প্যানের মধ্যে এখন আর ৬টি স্প্যান বসাতে বাকি থাকলো। মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে বাকি ৬ স্প্যান পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার সকালে মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেনে ৩ হাজার ১৫০ টন ওজনের ৩৫তম স্প্যানটি আনা হয় মাওয়া প্রান্তের ৮ ও ৯ নম্বর পিলারের কাছে।

পদ্মা সেতুর ৫ হাজার ২৫০ মিটার দৃশ্যমান
জানা যায়, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ৩৫তম স্প্যান বসানোর শিডিউল নির্ধারিত থাকলেও নির্ধারিত পিলারের কাছে নাব্যতা সংকটের কারণে তা হয়ে ওঠেনি। তারপর ড্রেজিং করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা হয় এবং স্প্যান বসানোর তারিখ পরিবর্তন করে, আজ বসানো হলো ৩৫তম স্প্যান।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের পুরো সেতুতে মোট পিলারের সংখ্যা ৪২টি। সবগুলো পিলারের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসানো হচ্ছে। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয়েছিল পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ। বর্তামানে সেতুর কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৯০ ভাগেরও বেশি।

এদিকে, মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেক প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ