বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন
বিশেষ ঘোষণাঃ
• করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, টিকা নিন। • গুজব নয়, সঠিক সংবাদ জানুন। • দেশের কিছু জেলা, উপজেলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিশ্বের কয়েকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (খালি থাকা সাপেক্ষে) প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। • আপনি কি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ফিল্ম ও মিডিয়া, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা' বিষয়ে পড়ছেন? বাংলাদেশ প্রতিবেদন আপনাকে দিচ্ছে 'ইন্টার্নশিপ'-এর সুযোগ। • আপনিও হতে পারেন সাংবাদিক! চলতি পথে নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি, কারো সফলতা বা যেকোনো ভিন্নধর্মী খবর (ছবি অথবা ভিডিও) পাঠাতে পারেন। • হটলাইনঃ +৮৮০ ১৯ ০৯ ৮৬ ২৬ ১৬ (হোয়াটসঅ্যাপ), • ই-মেইলঃ protibedonbd@gmail.com • গুগল, ফেসবুক ও ইউটিউবে আমাদের পেতে Bangladesh Protibedon লিখে সার্চ দিন।

নাগরপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টা, থানায় মামলা

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশকালঃ শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০

নাগরপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টা, থানায় মামলা

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ওই গৃহবধূ গ্রাম্য সালিশে সুবিচার না পেয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) মূল অভিযুক্ত সরোয়ার কাজীসহ চারজনের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানায় ১৩ নং ক্রমিকে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন, উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের নন্দপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত সামাদ কাজীর ছেলে সরোয়ার কাজী (২৮) ও গ্রাম্য মাতব্বর মালেক কাজী, লোকমান কাজী ও সায়েদ কাজী। মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্ত লম্পট ও গ্রাম্য মাতব্বররা গা ঢাকা দিয়েছে।
ভূক্তভোগী ওই গৃহবধূর পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়ের নন্দপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ওই গৃহবধূর স্বামীর আপন খালাতো ভাই একই এলাকার মৃত সামাদ কাজীর ছেলে সরোয়ার কাজী বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিয়ে তাকে উত্যক্ত করে আসছিল। এ নিয়ে গৃহবধূ তার স্বামীর কাছে অভিযোগ দিলে বিষয়টি তিনি সরোয়ারের পরিবারকে জানায়। এতে উত্যক্তের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। গত রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুর পার্শ্ববর্তী ধলেশ্বরী নদীতে মাছ ধরতে যায়। এ সুযোগে অভিযুক্ত সরোয়ার পাটখড়ির দরজা খুলে কৌশলে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় গৃহবধূ নিজের ইজ্জত বাঁচাতে ধস্তা ধস্তি ও ডাকচিৎকারে তার শাশুড়ি কমলা এগিয়ে এলে, সরোয়ার তাকে ছেড়ে দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পরদিন বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মাতব্বর মালেক কাজী, লোকমান কাজী ও সায়েদ কাজীসহ অনেকেই ন্যায় বিচারের আশ্বাস দেন। এ নিয়ে গত সোমবার রাতে ভূক্তভোগী নারীর স্বামীর বাড়িতে উল্লেখিত মাতব্বরদের উপস্থিতিতে এক সালিশি বৈঠক বসা হয়। বৈঠকে সরোয়ার ধর্ষণ চেষ্টার কথা অস্বীকার করলেও মাতব্বররা তাকে দোষী করে দশটি জুতারবাড়ি মারার রায় ঘোষণা করেন। ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ গ্রাম্য মাতব্বরদের এ রায় না মেনে ন্যায় বিচারের আশায় বুধবার (২৮ অক্টোবর) নাগরপুর থানায় ১৩ নং ক্রমিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সরোয়ারকে প্রধান আসামী করে স্থানীয় মাতব্বর মালেক কাজী, লোকমান কাজী ও সায়েদ কাজীকে সহযোগী আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলম চাঁদ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ